আবেগী নিউজ

আবেগী নিউজ

অলৌকিক ঘটনা - ১২

অলৌকিক ঘটনা - ১২

তিনি বলেন,সেই ছোট বেলা থেকেই আমি মোহাম্মদী ইসলামের গোলামী করে আসছি। আমার বড় বোন আশেকা রাসুল দিনা, তরিকা নিছে কিন্তু বিয়ের পর ততটা গভীর ভাবে তরিকার আমল করে না বা তরিকার সাথে জড়িত না। ওকে ১০/১২ বছর যাবত জ্বীনে ডিস্টার্ব করে, তবে কাছে আসে না, দূর থেকে আছর করে। ৫ বছর আগে আমি যখন ছোট ছিলাম, তখন এক রাত্রে স্বপ্নে দেখি আমার বোনকে জ্বীনে ধরছে এবং ওকে নিয়ে যাবে। তখন আমি জ্বীনকে বলছি, তুই আমাকে চিনিস? আমি কে? আমি দেওয়ানবাগীর মুরিদ। তখন আমার বোনকে ছেড়ে চলে যায়। এরপর অনেক দিন গত হয়েছে। আমার বোন এখন আর তরিকার আমল করতে পারে না। তার কিছু ভালো লাগে না, ওকে সবসময় জ্বীনে ডিস্টার্ব করে।

দয়াল বাবাজানের ওফাত লাভের পর, আমার মনে হলো বিষয়টি দয়াল মেজো হুজুরের কদম মোবারকে জানানো উচিৎ। আমি বিষয়টি আমার উইংস সমম্বয়ক হিজবুল্লা ভাই ও থানা সহকারী সমন্বয়ক জাহাঙ্গীর মামাকে জানালাম। ওনারা দয়াল মেজো হুজুরের কদম মোবারকে নালিশ দিতে বললেন। পরে আমি অনলাইনে অর্থাৎ জুমে নালিশ দিলাম। দয়াল মেজো হুজুর বললেন, যখন জ্বীনে আছর করে, তখন যেন জোরে জোরে দুরুদে মাহ্দী পড়ে। আমি বললাম দয়াল আমার বোনতো পড়তে পারে না, তাছাড়া আমার বোন জামাইও জাকের না। তখন দয়াল মেজো হুজুর বললেন, তাহলে বাবাজি আমার আর কিছু করার নাই।
আমি এ কথা শুনে একেবারে স্তব্ধ হয়ে গেলাম। যে দয়াল এ গোলামের ভরসা তিনিই যদি না পারেন!!! আমি ঐদিন রাত্রে আবার স্বপ্নে দেখি,আমি ইমাম মাহ্দীর দুরুদ শরীফ পড়তেছি, সব জ্বীন গুলিও আমার সাথে দুরুদ শরীফ পড়তেছে আর ভয়ে ভাগতেছে। এই ঘটনার পর আমার বোন কিছুদিনের জন্য সুস্থ থাকলেও পূণরায় অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর কিছু দিন পর গত ২১-০৪-২০২৩ তারিখ দিবাগত রাত্রে আবার স্বপ্নে দেখি আমার বোনকে আবার জ্বীনে ধরছে, তখন স্বপ্নের মাধ্যমেই দুরুদ শরীফ পরিবর্তন করে দয়াল মেজো হুজুরের স্বনামে দুরুদে মাহ্দী পড়তে লাগলাম, তাতে জ্বীন আমার বোনকে ঐযে ছেড়ে গেলো, আর কখনো ডিস্টার্ব করে না। এর পর থেকে আমার বোন সম্পূর্ণ সুস্থ আছে

এই ছিল বায়েজিদ ভাইয়ের পাঠানো ঘটনা। আবারও ঘুরেফিরে আসলো দুরুদ শরীফের বিষয়টি। তবে বায়েজিদ ভাই স্বপ্নে দুরুদ শরীফ পরিবর্তন করেছেন, অর্থাৎ এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়েছে। যারা এন্ট্রি কুদরত এ খোদা তারা ফেসবুকের মাধ্যমে আমাকে সরাসরি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। অথচ তারা এখনো নিজেদেরকে আশেকে দেওয়ানবাগী বলে পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে। আমার অপরাধটা কোথায়? যারা মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদান কারী মহামানব ইমাম প্রফেসর ডক্টর কুদরত এ খোদা (মাঃ আঃ) হুজুরের বিরুদ্ধে অবস্থান নিছে, তারা নিজেদেরকে যতই আশেকে দেওয়ানবাগী দাবি করুক না কেন, মূলত তারা আল্লাহর দুশমন, রাসুলের দুশমন এবং সূফী সম্রাট দয়াল বাবাজানেরও দুশমন। সুতরাং তাদের গালিগালাজে আমার কিছু যায় আসে না। যেটা সত্য সেটাই আমি লেখে প্রকাশ করি। আমার বয়স হয়েছে, তাই অন্য কোন গোলামী করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। সেই কারণে এই গোলামীটা বেঁচে নিয়েছি। সূফী সম্রাট দয়াল বাবাজান চন্দ্রপাড়া থেকে ঢাকায় আসার পরও আমরা সকলে এই মহামানবকে দুলাভাই বলে সম্মোধন করতাম। সেই দুলাভাই হলেন বেলায়েতের যুগের সর্ব শ্রেষ্ঠ মহামানব। এ বিষয়ে রুহানিতে ভূমিকা ছিল আল্লাহ, রাসুল ও তাঁর মোর্শেদ ইমাম শাহ্ চন্দ্রপুরী (রহঃ)'র , আর জাহিরিয়াতে যারা ভূমিকা রেখেছিলেন তাদের মধ্যে এক নাম্বারে ছিলাম আমি অধম। অতএব আমি যা লেখে প্রকাশ করি,তাতে কে বেজার হলো আর কে খুসি হলো এটা আমার দেখার বিষয় নয়, তবে সবার অবগতির জন্য এতটুকু বলতে পারি সূফী সম্রাট দয়াল বাবাজানের ওফাত লাভের পর বহিরাগত শত্রুদের অপপ্রচারের জবাব দেয়ার জন্য দয়াল বাবাজানের রুহানি মদদে যে লেখা শুরু করেছি তা এখনো অব্যাহত আছে। আশা করি যতদিন বেঁচে আছি ততদিন দয়ালের মদদ থাকবে। যে মহামানব সিরাজুম মুনিরার অধিকারী,যাঁর মাঝে স্বয়ং সূফী সম্রাট দয়াল বাবাজান অবস্থান করছেন, তাঁকে পৃথিবীর কোন অশুভ শক্তি থামাতে পারবে না। আমারও লেখা বন্ধ হবে না ইনশাআল্লাহ !

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ