শিক্ষনীয় গল্প
গল্প
জীবন
জীবন যেখানে যেমন
জীবনের কিছু বাস্তব কথা
ফুতপাতে যারা নেশা করে তাদেরকে নিয়ে কথা বলোবো আজ..
আজকে গেছিলাম ঢাকা লক্ষীবাজার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এর সামনে একটা প্লেস আছে ভিক্টোরিয়ান পার্ক এ বসে একটু সময় কাটাচ্ছিলাস। আমার সঙ্গে এক মুরব্বি আংকেল বসে ছিলো।
আমি একাটা জায়গায় বসে আছি দেখি আমার সামনে দিয়ে বার বার হেটে যাচ্ছে কিছু ছেলে বড় মানুষ। তাদের সবার হাতে একটা করে পলিথিন ছিলো।সেই পলিথিন টা সবাই মুখের ভিতর দিয়ে নিশ্বাস নিচ্ছে আবার নিশ্বাস ছাড়ছে।তখন আমি আমার পাশে থাকা আংকেল কে জিজ্ঞেস করলাম, আংকেল ওরা যে পলিথিনের ভিতর কী একটা দিয়ে ওদের মুখের ভিতর ঢুকিয়ে নিশ্বাস নিচ্ছে আবার নিশ্বাস ছাড়তেছে ওটা কী আর কী হয় ও টা খেলে ওদের.???
তখন আংকেল আমাকে বলতে লাগলো যে বাবা শুনো ওটা অনেক জঘন্য খারাপ একটা জিনিস। আমি বললাম কী.?? আংকেল বললো ওটা হলো আমরা যে জুতা পায়ে দেই ওই জুতা মেরামত করতে বা তৈরি করতে এক ধরণের আটা ব্যবহার করে ওটা হলো সেই আটা। আর ওই আটা টা ওরা পলিথিনের ভিতরে নিয়ে নেশা করে। ওই আটা তা ওদের জীবনের সব কিছু, ওই আটা তার নেশ করলে ওরা মারা যাবে আবার না করলেও মারা যাবে।
এই কথা বলতে বলতে দেখি ওদের দলের ভিতরে একটা কথা নিয়ে আলোচনা করতেছে ওরা না কী রাতে নেশা করে ঘুমানোর পরে ওদের সবার পকেট থেকে ওদের ভিতর থেকে কে টাকা চুরি করে নিছে।এখন সবাই ওদের ভিতর একটা লিডার আছে একটা পুরুষ এবং একটা মহিলা।ওদের কাছে যাই গিয়ে সব কিছু বলে এখন খোঁজা খুঁজি করতে করতে একটা ছেলের কাছে পাওয়া গেছে এখন আরেকটা ছেলে সেই চোর ছেলেটার হাত ওর বাজার বেল্ট টা দিয়ে হাত বেঁধে দেয়ে এবং সবাই বলে যে তাহলে এতো দিত ও আমাদের টাকা চুরি করছে,এই বলে সবাই ওকে মারতে লাগে একজনের তো ১৭০০ টা চুরি করে নিছে যে ছেলেটার ১৭০০ টাকা নিছে ওই ছেলেটা সবার সামনে নিয়ে মারতে লাগে।এর পর এদের সেই লিডার মহিলার সঙ্গে বেয়াদবি করে বেয়াদবি বলতে চুবি করা ছেলেটাকে মারতে থাপ্পড় মারতে গেছে তখনি ছেলেটা সনে গেছে এখন ওই মহিলার তো মাথায় রাগ ওই মহিলা সব কিছুর নেশা করে তখন ওই মহিলার হাতে একটা স্পিড এর বোতলের ভিতরে ওই ওদের সেই নেশা করা আটা ছিলো রাগের মাথায় ওই আটা টা ওই চোর ছেলেটার মাথায় সব ঢেলে দেয় এবং সারা শরীর সেই আটা মেখে যায় তার চোখে ও যায়। তখন ওই ছেলেটা কান্না করতে লাগে। অনেক কান্না করতেছে তখন আরেকটা ছেলে নিয়ে ওকে পাশে ওয়াশরুম আছে ওখানে নিয়ে যায় তখন মখের থেকে চোখের থেকে উঠে যায় কিন্তু তার যে চুল একং শরীব থেকে উঠে না।
তখন ছেলেটা অনেক কান্না করতেছে তারপর ওই মহিলা দোকান থেকে একটা বেলেট নিয়ে এসে ওই ছেলেটার সব চুল ফেলে দেয়। পরে আবার৷ যানা যানি হলো যে ওই ছেলেটা চুরি করে নি। তখন ছেলেটা ও কিছু বললো না আব তাদের সেই লিডার গুলো ও কিছু কললো না।তখন আমি আমার পাশে থাকা আংকেল কে জিজ্ঞেস করলাম যে আংকেল ওদের জীবন কী হবে।তখন আংকেল বললো ওরা কখনো ভালো হয়ে ফিরে আসতে পারবে না। এরা রাস্তায় ঘুরে ঘুরে জীবন চালায়। আর একটা জিনিস দেখছি যে এদের দুপুর বেলায় একজন লোক খাবার দিয়ে যায়।সেই লোকটা না কী আবার খারাপ বেবসা করে। এদের কে নিয়ে। প্রতিদিন দুপুর বেলায় খাবার দিবে আর তাদের সার্থ অনুয়ায়ী ওদের কাছ থেকে টাকা নিবে।এদের ভিতরে দেখি ওই সেই আটা নিয়ে অনেক মারামারি হয়। তখন আংকেল বললো এরা অনেক খারাপ এদের থেকে সবাইকে দূরে থাকা উচিত।
আমাদের এই ওয়েবসাইট এ নিউজ, গল্প, বিনোদন, আরো অনেক কিছু পোস্ট করে থাকি।আপনারা আমাদের এই ওয়েবসাইট টি ফলো দিয়ে, কমেন্ট করে যাবেন।ধন্যবাদ আপনাকে আমার লেখা এই বাস্তব গল্প-টি শেষ পূর্যন্ত পড়ার জন্য।




0 মন্তব্যসমূহ