আবেগী নিউজ

আবেগী নিউজ

নবী রাসূলগণের ছবি ছিল কি ?প্রথম খণ্ড

 নবী রাসূলগণের ছবি ছিল কি ?প্রথম খণ্ড

যদি না থাকে তবে  নবী -রাসূল যে আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে প্রেরিত হয়েছেন, তা সাধারণ মানুষ বুঝবেন কিভাবে ?

** মহান আল্লাহ্তায়ালার মনোনীত ব্যক্তি তথা নবী-রাসুলগণ মহামানবগণ সর্বকালেই মানবজাতির নিকট একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়বস্তু যুগে যুগে মানুষ তাঁদেরকে নিয়ে বহু চিন্তা-গবেষণা করেছেন তাঁদেরকে কেন্দ্র করে বাক-বিতণ্ডা, দ্বন্দ্ব-কলহ যুদ্ধ-বিগ্রহও রয়েছে প্রচুর তবুও এর শেষ হয়নি- এখনও তাঁদেরকে ঘিরে মানুষের মনে অনেক প্রশ্ন দানা বেঁধে উঠে সেসব অগণিত জিজ্ঞাসার মাঝে একটি গুরুত্বপূর্ণ জিজ্ঞাসা হলো- নবী-রাসুলগণের কি কোন ছবি ছিল? যদি না- বা থেকে থাকে তবে আল্লাহ্ পক্ষ থেকে কারা মনোনীত, সাধারণ মানুষ তা কিভাবে বুঝবে? তাছাড়া অতি প্রাচীনকাল থেকে রাজা-বাদশাহদের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য মূর্তি কিংবা ছবি সংরক্ষণের রেওয়াজ চলে আসছে অথচ নবী-রাসুলগণ মানুষের মাঝে এত গভীর প্রভাব ফেলা সত্ত্বেও তাঁদের স্মৃতি রক্ষার্থে ছবি সংরক্ষণ করা হয়নি কেন? আর না হওয়ার পিছনে কি কোন বিশেষ রহস্য লুকায়িত রয়েছে?

নবী-রাসুলগণের ছবি ছিল কি-না বিষয়ে নিশ্চিত ধারণা লাভের জন্য পবিত্র কুরআনে সে সম্পর্কে কি বলা হয়েছে, তা আমাদের জানা প্রয়োজন পবিত্র কুরানের সুরা বাকারার ২৪৮ নম্বর আয়াতে বর্ণিত হয়েছে-

অর্থ-"তাদেরকে তাদের নবী বললেন, "তার বাদশাহীর নিদর্শন এই যে, তোমাদের নিকট 'তাবুত' আসবে, যার মধ্যে তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে প্রশান্তি রয়েছে এবং কিছু অবশিষ্ট বস্তু, মুসা হারুনের বংশধরদের পরিত্যক্ত; সেটাকে ফেরেশতাগণ বহন করে আনবে নিঃসন্দেহে এর মধ্যে মহান নিদর্শন রয়েছে তোমাদের জন্য যদি ঈমান রাখো" (সুরা- বাকারা, আয়াত-৩০)

আয়াতে ব্যবহৃত 'তাবুত' সম্পর্কে তাফসীরে জালালাইনে বর্ণিত হয়েছেঃ "বনি ইস্রাইলরা তাদের নবী হযরত শামূইল (আঃ)-এর কাছে রাজত্বের কর্তিত্ত্ব প্রতিষ্ঠার নিদর্শন চায়, তখন তিনি তাদের বলেছিলেন, তার কর্তিত্ত্বের নিদর্শন এই যে, তোমাদের নিকট আসবে তাবুত অর্থাৎ সিন্দুক এতে নবীগণের ছবি সংরক্ষিত ছিল। হযরত আদম (আঃ)-এর নিকট আল্লাহ্তায়ালা তা নাজিল করেছিলেন পরে তা বনি ইস্রাইলের হাতে পড়ে অমালিকা সম্প্রদায় এদের উপর বিজয়ী হলে তারা তা ছিনিয়ে নেয় ইস্রায়িলীগণ এর উসিলায় শত্রুর উপর বিজয় প্রার্থনা করতো তারা যুদ্ধের মাঠে তা নিজেদের সম্মুখে স্থাপন করতো এবং তা দিয়ে 'সাকীনা' বা 'চিত্ত প্রশান্তি' লাভ করতো "

'তাবূত' বা 'সিন্দুক' সম্বন্ধে তফসীরে কানজুল ঈমানে বলা হয়েছে- শামশাদ কাঠের তৈরী একটা স্বর্ণ-খচিত সিন্দুক ছিল, যার দৈর্ঘ্য হাত এবং প্রস্থ দু'হাত ছিল সেটাকে আল্লাহ্তায়ালা হযরত আদম (আঃ)-এর উপর নাজিল করেছিলেন এর মধ্যে সমস্ত নবী (আঃ)-এর ছবি সংরক্ষিত ছিল তাঁদের বাসস্থান বাসগৃহের ফটোও ছিল এবং শেষ ভাগে হুজুরে সায়িদুল আম্বিয়া (নবীকুল সরদার) সাল্লাল্লাহু তা'আলা আলায়হি ওয়াসাল্লামের এবং হুজুর করিম (সঃ)-এর পবিত্রতম বাসগৃহের ছবি লাল ইয়াকুতের মধ্যে ছিলো, যাতে হুজুর নামাজরত অবস্থায় দণ্ডায়মান, আর তাঁর (সঃ) চতুস্পারশে তাঁর সাহাবা--কেরাম হযরত আদম (আঃ) সেসব ছবি দেখেছেন সিন্দুকখানা বংশ পরম্পরায় হযরত মুসা (আঃ) পর্যন্ত পৌঁছালো তিনি এর মধ্যে তাওরাত রাখতেন এবং তাঁর বিশেষ বিশেষ সামগ্রীও রাখতেন সুতরাং, তাবুতের মধ্যে তাওরাতের ফলকসমূহের টুকরাও ছিলো আর হযরত মুসা (আঃ)-এত লাঠি, তাঁর পোশাক-পরিচ্ছদ, তাঁর পবিত্র স্যান্ডেল যুগল এবং হারুন (আঃ)-এর পাগড়ি তাঁর লাঠি এবং সামান্য পরিমাণ 'মান্না' যা বনী ইস্রাঈলের উপর অবতীর্ণ হয়েছিল

হযরত মুসা (আঃ) যুদ্ধের সময় সিন্দুককে সামনে রাখতেন এর দ্বারা বনী ইস্রাঈলের অন্তরসমূহে শান্তি বিরাজমান থাকতো তাঁর পরবর্তী সময়ে 'তাবুত' বনী ইস্রাঈলের মধ্যে বংশ পরম্পরায় চলে আসছিল যখন তাদের সামনে কোন জটিল বিষয় উপস্থিত হতো, তখন তারা 'তাবুক' কে সামনে রেখে প্রার্থনা করতো, আর সাফল্যমণ্ডিত হতো শত্রুদের মোকাবিলায় এরই বরকতে বিজয় লাভ করতো

বনী ইস্রাঈলের অবস্থা যখন খারাপ হয়ে গেল এবং তাদের অপকর্ম অতিমাত্রায় বেড়ে গেল আর আল্লাহ্তায়ালা তাদের উপর 'আমালিকাহ্‌' সম্প্রদায়কে বিজয়ী করলেন, তখন তারা সেই 'তাবুত' তাদের নিকট থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেল এবং সেটাকে নাপাক আবর্জনার স্থানে ফেলে রাখলো সেটার প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করলো এসব বেয়াদবীর কারণে তারা বিভিন্ন ধরণের রোগ নানাধরনের মুসীবতে আক্রান্ত হতে লাগলো তাদের পাঁচটা বস্তি ধংসপ্রাপ্ত হলো তখন তাদের নিশ্চিত ধারণা হলো যে, 'তাবুতের' প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করাই তাদের ধ্বংসের কারণ

অতঃপর তারা 'তাবুতখানা' একটা গরুর গাড়ীর উপর রেখে গরুগুলো ছেড়ে দিল এদিকে ফিরিশতাগণ সেটাকে বনী ইস্রাঈলের সামনে 'তালূতের' নিকট নিয়ে আসলেন বস্তুতঃ 'তাবুত' আসা বনী ইস্রাঈলের জন্যে তালূতের বাদশাহীর নিদর্শন সাব্যস্ত হয়েছিল বনী ইস্রাঈল এটা দেখে তাঁর বাদশাহী মেনে নিয়েছিলো এবং বিনা দ্বিধায় জিহাদের জন্য প্রস্তুত হয়ে গেলো কেননা, তাবুত পেয়ে তাদের মনে বিজয়ের ধারণা দৃঢ় হলো তালুত বনী ইস্রাঈল থেকে সত্তর হাজার যুবক বেছে নিলেন, যাদের মধ্যে হযরত দাউদ (আঃ) ছিলেন (জালালাইন, জু'মাল খাযিন মাদারিক ইত্যাদি) তফসীরের বর্ণনা থেকে বিষয়টি নিশ্চিত যে, মহান আল্লাহ্তায়ালা আদি পিতা হযরত আদম (আঃ)-এর নিকট সমস্ত নবী-রাসুলগণের ছবি মোবারক প্রেরণ করেছিলেন এবং তা বংশ পরম্পরায় বনী ইস্রাঈলগণের নিকট পর্যন্ত পৌঁছেছিল

বিশ্বনবী (সঃ) সহ অন্যান্য নবীগণের ছবি মোবারক সম্পর্কে হাদীস শরীফে চমকপ্রদ তথ্য পাওয়া যায় হযরত মউলানা আহমদ ছাইদ রাহমাতুল্লাহি আলাইহি প্রণীত মোহাম্মদ খালেদ অনুদিত- "বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তিনশত মো'জেযা" নামক কিতাবের ২৩৭ নম্বর পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছেঃ

"নোয়ায়েম ইবনে আব্দুল্লাহ্‌, হিশাম ইবনে আস এবং আরো এক ব্যক্তি হযরত আবু বকর সিদ্দিক রাজিয়াল্লাহু তায়া'লা আনহুর শাসনামলে রোম সম্রাটের নিকট প্রেরিত হইয়াছিলেন তাহারা বলেন, আমরা জাবালা ইবনে আয়হামের নিকট গমন করিলাম তিনি আমাদিগকে সম্রাটের নিকট লইয়া গেলেন সেখানে আমরা একটি স্বর্ণখচিত সুগন্ধিযুক্ত সিন্দুক দেখিতে পাইলাম সিন্দুকের ভিতরের বেশ কয়েকটি ছোট ছোট প্রকোষ্ঠ ছিল সম্রাট একটি প্রকোষ্ঠ হইতে একটি কৃষ্ণবর্ণের রেশমী রুমাল বাহির করিলেন উহাতে হযরত আদম আলাইহিস্সালামের চিত্র ছিল "

অতঃপর দ্বিতীয় প্রকোষ্ঠ খুলিয়া উহার মধ্য হইতেও একটি রেশমী রুমাল বাহির করিল উহাতে নূহ আলাইহিস্সালামের চিত্র ছিল এইবার হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস্সালামের চিত্র দেখাইবার পরই নবী করীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চিত্র বাহির করিয়া বলিলঃ ইহাই সর্বশেষ প্রকোষ্ঠ, তাঁহার সম্পর্কে তোমাদিগকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই এই প্রকোষ্ঠটি আগে খুলিলাম অতঃপর অন্যান্য প্রকোষ্ঠ খুলিয়া অপরাপর পয়গম্বরের চিত্র দেখাইল হযরত ঈসা, হযরত হারুন, হযরত দাউদ, হযরত মুসা, হযরত লুত এবং ইসহাক আলাইহিস্সালামের চিত্রও দেখাইল সে বলিলঃ এইগুলি দানিয়াল তৈরি করিয়াছিলেন

বিশিষ্ট গবেষক মরহুম মওলানা আব্দুল জলীল মাজাহেরী তাঁর সুবিখ্যাত 'তলোয়ারে নয় উদারতায়' গ্রন্থে লিখেনঃ দাহিয়া কলবীর হাতে পত্র পাওয়ার পর এক রাত্রে কয়সর পত্রবাহকদিগকে নিভৃত কক্ষে ডাকিয়া আনাইলেন তাহাদের সম্মুখে একটি বড় সিন্দুক আনা হইল উহার ভিতরে ছোট ছোট প্রকোষ্ঠ ছিল কয়সর সিন্দুক খুলিয়া উহার এক কুঠুরী হইতে একটি কালো বর্ণের রেশমী রুমাল বাহির করিলেন উহাতে একটি মানুষের ছবি ছিল কয়সর জিজ্ঞাসা করিলেন, ইহা কাহার ছবি বলিতে পারো কি? পত্র বাহক কহিলেন, আমরা চিনতে পারিলাম না তখন কয়সর বলিতে লাগিলেন, ইহা আদি পিতা আদম আলাইহিস্সালামের ছবি অতঃপর আর এক কুঠুরী হইতে অন্য একটি কালো রেশমী রুমাল বাহির করিয়া তাহাতে একটি ছবি দেখিয়া বলিলেন, ইহা হযরত নূহ পয়গম্বরের ছবি অতঃপর অপর একটি প্রকোষ্ঠ হইতে একটি ছবি বাহির করা হইল বর্ণনাকারী বলেন, আমরা দেখিয়া অত্যন্ত আশ্চর্যান্বিত হইলাম যে, ইহা অবিকল হযরত রাসূলুল্লাহ্ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লামের প্রতিকৃতি ছিল কয়সর জিজ্ঞাসা করিলেন, এই ছবি চিনিতে পারিয়াছ কি? আমরা বলিলাম, নিশ্চয়ই চিনিতে পারিয়াছি, ইনিই আমাদের শেষ নবী মুহাম্মদ মোস্তফা ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখা একই কথা কয়সর সম্মানার্থে দণ্ডায়মান হইয়া পুনরায় উপবেশন করিলেন এবং কিছুক্ষণ ছবিটিকে ভালরূপে দেখিয়া বলিতে লাগিলেন, নিশ্চয়ই ইনিই শেষ নবী আমার নিকট আরো অনেকগুলো ছবি আছে; এখন সবগুলি খুলিয়া দেখাইতেছি

মওলানা আব্দুল জলীল মাজাহেরী লিখেনঃ অনন্তর একটির পর একটি খুলিয়া হযরত মুসা, হযরত ঈসা, হযরত সোলায়মান এবং অন্যান্য অনেক পয়গম্বরের ছবি দেখাইলেন পত্রবাহকগণ জিজ্ঞাসা করিলেন, এই সমস্ত ছবি কিরূপে আপনার হস্ত গত হইল? কয়সর বলিলেন, হযরত আদম আলাইহিস্সালাম আল্লাহ্ নিকট দরখাস্ত করিয়াছিলেন যে, তাহার বংশধরগণের ছবি যেন তাহাকে দান করা হয় তখন আল্লাহ্পাক তাহার নিকট এই ছবিগুলি পাঠাইয়াছিলেন হযরত আদম আলাইহিস্সালাম ছবিগুলি স্বীয় বাসস্থানে রাখিয়া যান যুলকারনাইন বাদশাহ্স্বীয় ভ্রমণকালে এই সিন্দুক উদ্ধার করতে দানিয়ালকে দান করেন আমার পূর্বপুরুষগণ সেখান হইতে তাহা প্রাপ্ত হইয়াছিলেন

মওলানা মাজাহেরী উপরোক্ত ঘটনাটি বায়হাকীর হাওয়ালায় বর্ণিত মোহাদ্দেসে দেহলবীর 'মাদারেজুন্নবুওত' কিতাবের প্রথম খণ্ডের ১০১পৃষ্ঠা হইতে সংগ্রহ করিয়াছেন

মুগীরা ইবনে শো'বা হইতে বর্ণিত আছে যে, যখন তিনি মিশর সম্রাট মুকাওকিস এবং খ্রিস্টান সম্রাট ইস্কান্দারিয়ার কাছে যান তখন তাহারা তাহাকে পয়গম্বরগণের চিত্র দেখান এবং রাসুলে করীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চিত্রও দেখান, যাহা দেখিয়া তিনি পেয়ারা নবীকে তৎক্ষণাৎ চিনিয়া ফেলেন

হযরত জোবায়ের রাজিয়াল্লা তায়ালা আনহু বলেনঃ আল্লাহ্পাক যখন তাঁহার নবীকে (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রেরণ করিলেন এবং মক্কায় তাঁহার সুখ্যাতি ছড়াইয়া পড়িল তখন ঘটনাক্রমে আমি সিরিয়ার উদ্দেশ্যে সফর করিতেছিলাম বসরায় গমনের পর একদল খ্রিস্টান আমাকে জিজ্ঞাসা করিল, তুমি কি হেরেমের অধিবাসী? আমি বললাম, হ্যাঁ তাহারা পুনরায় জিজ্ঞসা করিল, তাহা হইলে তুমি কি সেই ব্যক্তিকেও চিন, যেই নবুওতের দাবী করিতেছে? উত্তরে আমি বলিলাম, অবশ্যই তাহাকে আমি চিনি অনন্তর তাহারা আমাকে এক গির্জায় নিয়ে গেল সেখানে কিছু চিত্র ছিল তাহারা বলিল, ভালো করিয়া দেখ এখানে সেই নবীর মত চিত্র আছে কিনা? আমি গভীর মনোযোগে সকল ছবি দেখিয়া বলিলাম, এখানে তাঁহার কোন ছবি নাই অতঃপর তাহারা আমাকে পূর্বাপেক্ষা একটি বড় গির্জায় লইয়া গেল সেখানে পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি ছবি সংরক্ষিত ছিল তাহারা আমাকে বলিল, একটু লক্ষ্য করিয়া দেখ, তোমাদের সেই নবীর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোন ছবি এখানে আছে কিনা? আমি দেখিতে পাইলাম একটি ছবি অবিকল তাঁহার মত আরেকটি ছবি ছিল হযরত আবু বকরের মত চিত্রে হযরত আবু বকর রাসুলুল্লাহ্ (সঃ) পা ধারণ করিয়াছিলেন তাহারা আমাকে বলিলঃ খুব ভালো করিয়া দেখ এই চিত্রটি হুবহু তাহার কিনা? আমি সম্মতিসূচক জবাব দেয়ার পরও তাহারা পুনরায় রাসুলে পাক ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চিত্রের দিকে ইশারা করিয়া বলিলঃ এই চিত্রের কথা বলিতেছ? এইবার আমি আরো দৃঢ়তার সাথে বলিলাম- হ্যাঁ, আমি সাক্ষ্য দিতেছি যে, ইহা তাঁহার ছবিই বটে অতঃপর তাহারা জিজ্ঞাসা করিল, যেই লোকটি তাঁহার পা ধারণ করিয়া আছে তাহাকেও চিন কি? আমি বললামঃ হ্যাঁ এইবার তাহারা বলিলঃ


দ্বিতীয় খণ্ড আছে.. 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ