যুগের ইমাম সূফি সম্রাট হযরত দেওয়ালবাগী (মা. আ.) হুজুর কেবলাজানের শিক্ষা -- ৪ টি
১| আত্মশুদ্ধি
২| দিল জিন্দা
৩| নামাজে হুজুরী ও
৪| আশেকে রাসুল হওয়া।
১| আত্মশুদ্ধিঃ আত্ন অর্থ নিজ,নফ্স তথা জীবাত্না। আর শুদ্ধি অর্থ পবিত্রকরণ। সুতরাং আত্নশুদ্ধি অর্থ নিজের নফ্স বা জীবাত্নাকে পরিশুদ্ধি করা, অর্থাৎ আত্মশুদ্ধির মর্ম হচ্ছে নিজের নফ্সকে ষড়রিপুর বেড়াজাল থেকে মুক্ত করে নিজেকে পরিশুদ্ধ করা।
মহিমান্বিত আল্লাহ্ বলেন-নিশ্চয় সফল্য লাভ করবে সে, যে আত্মশুদ্ধি লাভ করে।" (সূরা-আল আ'লা- ৮৭ : আয়াত -১৪)
২| দিল জিন্দাঃ দিল অর্থ হৃদয়। পবিত্র কুরআনে হৃদয়কে ক্বালব বলা হয়েছে। আর জিন্দা অর্থ জীবিত। অর্থাৎ ক্বালব বা হৃদয়েআল্লাহর জিকির জারি করার মধ্য দিয়ে দিল জিন্দা করা।
এ প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআনে এরশাদ হচ্ছে --দুর্ভোগ তাদের জন্য, যাদের ক্বালব বা হৃদয় কঠোর, আল্লাহর জিকির থেকে গাফেল বা বিমুখ। তারা রয়েছে প্রকাশ্য গোমরাহীতে। "( সূরা- আঝা ঝুমুল- ৩৯ : আয়াত - ২২)
৩| নামাজে হুজুরীঃ নামাজে হুজুরী অর্থ পরিপূর্ণ একাগ্রতার সাথে নামাজ আদায় করে নামাজ কবুলিয়াতের ফায়েজ, রহমত ও বরকত লাভ করা।
পবিত্র কুরআনে সুমহান আল্লাহ এরশাদ করেন-অবশ্যই মু'মিনগন সফলকাম হয়েছে, যারা নিজেদের নামাজ বিনয় নম্র, যারা অনর্থক বিষয় থেকে দূরে থাকে। " ( সূরা- আল মু'মিনূন - ২৩ : আয়াত- ১ থেকে ৩)
৪| আশেকে রাসুল হওয়াঃ অর্থাৎ কুল-কায়েরাতের রহমত বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (স.) - এর প্রেম মানুষের হৃদয়ে সৃষ্টি করে দিয়ে তাদেরকে আশেকে রাসুল হিসেবে গড়ে তোলা।
পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ্ এরশাদ করেন -হে মাহবুব (সা.)! আপনি বলে দিন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাসতে চাও, তবে আমার অনুসরণ করো। তাহলে আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাশাপাশি ক্ষমা করে দেবেন।অবশ্যই আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল ও পরম দয়াময়। "( সূরা- আলে ইমরান- ৩ : আয়াত- ৩১

0 মন্তব্যসমূহ