আমার জীবনে ঘটে যাওয়া এক ভূতরে গল্প.....
আমার জীবনে ঘটে যাওয়া এক ভূতরে গল্প আজ আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো।আমি সৈয়ব আমার বয়স এখন ২১বছর।এখন আমি অনার্স এ পড়তেছি। আমি যখন চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ি তখন আমি অনেক দুষ্ট ছিলাম।বুঝেনই তো শৈশব জীবন।যাই হোক একদিন আমি আর আমার বন্ধু হৃদয় দুইজনে এক সঙ্গে থাকতাম। তখন ২১ ই ফেব্রুয়ারির আগের দিন স্কুলে স্যার বললো তোমরা সবাই ২১ ই ফেব্রুয়ারির দিনকে খুব সকালে সবাই এসে শহিদ মিনারে ফুল দিবে।তখন আমরা ফুল কোথায় পাবো আমরা তো আর ফুল গাছ লাগাই নাই আর টাকা দিয়ে ফুল কিনবো সেটা ও তো সম্ভাব না।
তখন স্কুল শেষে আমরা দুই জন মিলে আলোচনা করলাম যে আমরা ফুল চুরি করবো। এখন প্রশ্ন আসে ফুল কোথা থেকে চুরি করবো।
এখন দুইজনে মিলে স্কুল থেকে বাসায় যাচ্ছি আর ভাবতেছি কোথায় থেকে ফুল চুরি করবো আর হাতে আছে মাত্র ১ টা রাত যা করতে হবে এই রাতের মধ্যে করতে হবে।তখন অনেক্ষন ভাবা ভাবির পরে আমাদের মাথায় আসলো স্কুল থেকে একটু দূরে একটা ফুলের বাগান আছে ওখান থেকে চুরি করবো। কিন্তু আমার বন্ধু বলে উঠলো ওই জাইগা সম্পর্কে তুই তো যানিস সন্ধার পরে ওখানে কেউ যায় না! আমি বললাম এখন ওইটা ছাড়া তো আর কোন উপায় নাই।
এখন দুই জনে সাহস করে বললাম হ্যাঁ যাবো আজ সন্ধার সময় এই বলে ও ওর বাসায় চলে গেলো আমি আমার বাসায় চলে আসলাম।আমার বাসা থেকে ওর বাসা একটু দূরে। এখন আমরা সন্ধার একটু আগে আমরা স্কুলে গেলাম দুই জনে স্কুলে গিয়ে দেখি আরো অনেক বন্ধুরা স্কুলে আচ্ছে শহিদ মিনার টা সাজাইতে তখন আমি আর আমার বন্ধু হৃদয় দুইজনে ওদের কে কিছু না বলে ফুল চুবি করতে যাইতেছি তখন আমার বন্ধু বললো ফুল গাছ থেকে কাটার জন্য কী কিছু আছে? আমি বললাম না রে। তখন আমাদের স্কুল থেকে একটা কিছু খুঁজতে লাগলাম কোন ধারালো জিনিস পাশে দেখি একটা পাতলা লোহা ছোট কখন বন্ধুকে বলি বন্ধু এটাতে কাজ হয়ে যাবে।
এবার আমরা রওনা হলাম সেই ভূতের ঘন জঙ্গলের ভিতরে ফুল বাগানে।তখন মাগরিব এর নামাজ শেষ করে সবাই বাজারে দিকে রওনা হচ্ছে আমরা জঙ্গল এর ভিতরে প্রবেশ করলাম।অনেক অন্ধকার আমাদের কাছে কোন আলো ও নাই এখন দুইজনে আস্তে আস্তে যাইতেছি আমাদের শরীর ঠান্ডা হয়ে যাইতেছে যত জঙ্গলের ভিতর যাচ্ছি।বন্ধু বলতে লাগলো জঙ্গল পার হয়ে একটা অনেক বড় মাঠ ওই মাঠের এক পশে ফুলের বাগান। এখন আমরা যখন যাইতেছি কখন দেখি ওই মাঠের ভিতর একটা সাদা আলো জলতেছে আমরা তখন ভাবলাম ওখানে মনে হয় মানুষ আছে।তখন হঠাৎ করে দেখি ওই আলো টা নিভে গেলো সেই সঙ্গে সঙ্গে আমাদের চার পাশে পাছ পালা গুলো অনেক জোরে বাতাস হতে লাগলো তখন আমরা আরো ভয় পেয়ে গেলাম।
এই রকম হতে হতে আমরা জঙ্গল টা পার হলাম এর পরে মাঠ মাঠে সবে ধান লাগানো হয়েছে এখন আমাদের পায়ের জুটা হাতে নিয়ে মাঠ দিয়ে যেতে লাগলাম সামনেই সেই ফুলের বাগান অনেক অন্ধকার সেই ফল বাগানের কাছে গিয়ে ২ টা থেকে ৩ যেই ফুল তুলছি তখনি জঙ্গলের ভিতর দিতে অনেক সাদা আলো জ্বলতে লাগলো আমরা তখন অনেক ভয় পায়ছি আর বলতে এবারের মত বাসায় যেতে পারলে বাঁচি। তখর আর ফুল তুললাম না চুপ করে দাড়িয়ে আছি।আর দেখতেছি ওখান থেকে দুইটা আলো আমাদের দিকে আসতেছে অখন আরো ভয় পেয়ে গেলাম। আেই আলো টা আস্তে আস্তে আমাদের কিছুটা দূরে কখন ওই পাশ থেকে বলে উঠলো ওখানে কে রে তখনই আলো বন্ধ হয়ে গেলো আমরা খয়ে এ দিক ওদিক কিছু না দেখে সোজা জঙ্গলের দিকে যেতে লাগলাম কখন দেখি জঙ্গলের ভিতর একটা মুরুব্বি বসে আছে তখন তার কাছে যেতে না যেতেই উনি দাড়িয়ে গেলেন আর বললেন এখানে কী? আমরা বললাম ফুল নিতে আচ্ছিলাম তখন তিনি বললেন এখান থেকে তাড়াতাড়ি চলে যাও এবার আমরা যেই সামনের দিকে এগিয়ে আসলাম পিছনে তাকিয়ে দেখি তিনি আর পিছনে নাই।আরো ভয় পেয়ে দৌড়াতে লাগলাম সামনেই দেখি একটা লোক ছোট একটা আলো হাতে নিয়ে দাড়িয়ে আছে মনে হয় কার জন্য অপেক্ষা করতেছে আমরা ওই লোকটার কাছে গেলাম গিয়ে দেখি সেই লোকটা আরার। আমরা তাকে দেখে দৌড়াতে লাগলাম এবার আমার বন্ধু বললো চল তাড়াতাড়ি করে এই জঙ্গল থেকে বের হয়ে যায়।
যাইতেছি যাইতেছি জঙ্গল টা শেষ হয় না অনপেক্ষ হয়ে গেলো তাও জঙ্গল শেষ হয় না আরো ভয় পেয়ে গেলাম যেতে যেতে হঠাৎ করে দুইজনে একটা গর্তে পড়ে গেলাম কেমন একটা গন্ধ আসতেছে।তাকিয়ে দেখি অনেক সাপ গর্ত থেকে বেরিয়ে যাইতেছে এখন দুইজনে গর্ত থেকে উপরে উঠে দেখি ওটা কোন গর্ত না ওটা একটা টাটকা কবর। আমাদের শরীব অনেক ঠান্ডা হয়ে গেলো। অনেক বাতাস হইতেছে। এখন দূরে তাকিয়ে দেখি একটা বাড়ি দেখা যাই ভাবলাম ওই খানে যাবো কিন্তু ভায় হচ্ছে। আস্তে আস্তে গেলাই ওই বাড়ির দিকে যত যাইতেছি ততোই ওই বাড়িতার আসল রুপ আসতেছে কাছে গিয়ে দেখি সেই পোড়া বাড়ি এখানে মানুষের মুখে শুনছিলাম অনেক আগে এই জঙ্গলে একটা পরিবার বাস করতো। তাদের কে কে জানি বাড়ি সহ পুড়িয়ে দিয়েছিলো তাই এই জঙ্গল এর দিকে কেউ আসে না কিন্তু জঙ্গলের তো পিছন দিকে এই বাড়ি আমরা তো সামনের দিকে যাচ্ছিলাম পিছনে কীভাবে আসলা। আরো ভয় পেয়ে গেলাম এই বাড়িতে দুইটা লোক থাকতো স্বামী-স্ত্রী
তখন আমরা আবার পিছন দিকে দৌড়াতে লাগলাম দূরে দেখি অনেক আলো জ্বলতেছে আর অনেক মানুষ ও। মনে হয় বাজার তখন আমরা ওই দিকে দৌড়াতে লাগলাম।অবশেষে সেই বাজারে দিয়ে উঠলাম অনেক ভয় হচ্ছিলো।
তখন একটা লোককে বলি এখন কয়টা বাজে বলে রাত ১২ টা বাজে।তখন ভয়ে আস্তে আস্তে বাসার দিকে আসতে লাগলাম।পরে যা হবে তা কাল সকালে দেখা যাবে৷
যদি সকালে কী হয়েছিলো যানতে চান তাহলে আমাদের এই ওয়েবসাইট টি ফলো করে একটা কমেন্ট করে রাখবেন।
আমাদের ওয়েবসাইটে এইরকম অনেক গল্প শেয়ার করে থাকি



0 মন্তব্যসমূহ