অলৌকিক ঘটনা
আশেকে রাসুল আজিমুল হক অভি, পিতাঃ- মরহুম সৈয়দ বুলবুল মিয়া, গ্রামঃ- তিয়শ্রী, থানাঃ- মদন, জেলাঃ- নেত্রকোনা।
তিনি বলেন, আমার বাড়ি নেত্রকোনা, কিন্তু আমি চাকুরী করি নারায়ণগন্জ জেলার সোনারগাঁও টেস্টাইল মিলে। আমার একটি ফেইক ফেসবুক আইডি ছিল। এই আইডিতে অফিসের বড় বড় অফিসার বা বস এড ছিলেন। অন্য একজনের আইডিতে লবিং করা ছিল। এই ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে আমার আইডি দিয়ে কে বা কারা আমাদের ফেক্টরির বিরুদ্ধে বদনাম করে একটা পোস্ট ছাড়ছে। তখন এমডি স্যার অফিসারদের নিয়ে বোর্ড বসিয়ে নেটে সার্চ দিয়ে আমার নামের আইডি পায়। তখন আমাকে ধরে পুলিশে দেবে, তারা আগে থেকেই পুরা প্রস্তুতি নিয়ে বোর্ডে বসছিলেন। আমি তখন তাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করলাম, এটা আমার কাজ না, আমি করি নাই। কিন্তু তারা আমার কথা বিশ্বাস করলেন না। এভাবে সারাদিন গেল। আমি দয়াল কুদরত চাঁনের কদম মোবারকে আজিজী করায় তারা আমাকে পুলিশে দেয় নাই।
ঘটনাটা এই রকম ঘটছে যে,আমি ওখানে চাকুরীরত থেকেই কোম্পানি টাকা আত্মসাৎ করছে, এই গোমর ফাঁস করে দিছি। আমি নিরুপায় হয়ে ঐ দিন বাসায় চলে আসলাম এবং সিদ্ধান্ত নিলাম,আমি আর ডিউটিতে যাবো না। ১ মাসের বেতন মার যাক, তবুও আমি ডিউটিতে যাবো না।
ঐ রাত্রে সারারাত দয়াল মেজো হুজুরের কদম মোবারকে আজিজী করলাম। আর দয়াল বাবাজানের কদম মোবারকে কান্নাকাটি করে বললাম, দয়াল মেজো হুজুর যদি সত্যিকারে মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদান কারী মহামানব হয়ে থাকেন, তিনি যদি নূরে মোহাম্মদীর ধারক ও বাহক হয়ে থাকেন, তাহলে আমি যেন এই বিপদ থেকে মুক্ত হতে পারি। এভাবে আজিজী করে ঘুমিয়ে পড়ি। রহমতের শেষ সময় ফজরের আযানের পূর্বে দেখি দয়াল মেজো হুজুর আমার সামনে হাজির হয়ে বলছেন, এই মিয়া কিসের চিন্তা করেন, আমি আছি না! আপনি ডিউটিতে যায়েন, আমি দেখবানে কি হয়!! তখন আমার আর দুশ্চিন্তা থাকলো না। তবুও চিন্তা করলাম ফেক্টরিতে গেলে যদি কিছু হয়,তবে আমাকে যেতেই হবে, যেহেতু দয়াল মেজো হুজুর নির্দেশ করছেন।
আশ্চার্যের ঘটনা আমি অফিসে যাওয়ার পর, যে সকল লোক গুলি আমার বিরুদ্ধে ছিল এমনকি যারা আগে থেকেই আমার বিরুদ্ধে লাগা ছিল, তারাও আমার পক্ষে কথা বলা শুরু করলো। আমার বিরুদ্ধের লোকেরা যখন আমার পক্ষে কথা বলতে শুরু করলো, তখন আর আমার চোখের পানি ধরে রাখতে পারি নাই। তখন আমার আর বুঝতে বাকী রইলো না যে, দয়াল কুদরত এ খোদা সত্যি তিনি যুগের ইমাম এবং নূরে মোহাম্মদীর ধারক ও বাহক,


0 মন্তব্যসমূহ