আবেগী নিউজ

আবেগী নিউজ

অলৌকিক ঘটনা - ১০

অলৌকিক ঘটনা - ১০

বক্তার নাম মাওলানা এটি এম ফরহাদ সাব। তার গর্হিত বক্তব্য গুলির মধ্যে রয়েছেঃ- মোর্শেদ কেবলাজান যেখানে আমাদের কদম বুচি হবে সেখানে, আবারও বলি কদম মোবারক যেখানে কদম বুচি হবে সেখানে। আপনি হজ্জ করবেন? মক্কা এবং মদিনা ছাড়া পৃথিবীর আর কোন রাষ্ট্রে গিয়ে জিয়ারত করলে কি হজ্জ হবে? আশেকে রাসূলগন যারা মোহাম্মদী ইসলামের সবক গ্রহণ করেছেন, মোহাম্মদী ইসলাম পালন করতে হলে জিয়ারতে আসতে হবে কোথায়? জোরে বলেন, বাবে মদিনা কেন্দ্রীয় রওজায় যদি কদম বুচি করা না হয়, খোদার কসম কারো তরিকা পালন সম্ভব না। বাবাকে,বাবকে যে অস্বীকার করে, বাবকে রাইখা যেডারে যে বাপ ডাকে, কাউন্টার বাদ দিয়ে বারান্দায় যিনি জমা দেন, মূখ হলো এখানে খাবার মারি ঐ দিকে, এই রং ঠিকানায় যদি জমা হয়, এই জমা কি সহি না গলদ? দুইয়ে দুইয়ে চার গুনতে যে মানুষটা পারেন,উনিতো রওজার বাইরে গিয়ে লেনাদেনা করার কথা না। মুরিদের কেবলা কে? মোর্শেদ কেবলাজান, মোর্শেদ কেবলা না? মোর্শেদ হলো কেবলা, পশ্চিম দিক বাদ দিয়ে যে ডান বামে ঘুরাইয়া সেজদা মারে এর সেজদা কি আল্লাহর কাছে যাবে না শয়তানের কাছে যাবে? আমি শুধু স্কেলডা ফেলাই,মাপটা আপনারা দেন। রওজা মোবারকে কদম বুচি না করলেতো শুভ যাত্রা হবে না, শুভ সূচনা হবে না!

আমার সম্মানিত পাঠক পাঠিকা বৃন্দের কাছে প্রশ্নঃ- ফরহাদ সাবের এই বক্তব্য গুলি কি ঈদে মিলাদুন্নবীর বিষয়ের মধ্যে পড়ে? তার পুরা বক্তব্যের মধ্যে এই ধরনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যই বেশি ছিল। তার এধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্যের উদ্দেশ্য কি? রীতিমতো পায়েপারা দিয়ে গোলমাল বাঁধানো। নচেৎ ঘোলা পানিতে মাছ স্বীকার করা। মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদান কারী মহামানব ইমাম প্রফেসর ডক্টর কুদরত এ খোদা (মাঃ আঃ) দয়াল মেজো হুজুর, বর্তমানে তিনি নূরে মোহাম্মদীর ধারক ও বাহক। তিনি আল্লাহ, রাসুল ও মোর্শেদের গুণে গুণী। তিনি চাচ্ছেন তাঁর ভাই ও বোনদের শুভ বুদ্ধির সূচনা হোক।
তিনি সকলকে সঙ্গে নিয়ে মোর্শেদের রেখে যাওয়া মোহাম্মদী ইসলাম বিশ্বময় প্রচার করতে চান। আর চুনোপুঁটির দলের সদস্যরা ঘোলাপানিতে মাছ স্বীকার করার জন্য এ মহামানবের ভাই ও বোনদের মধ্যে জটিল সমস্যা সৃষ্টি করার কাজে উঠেপড়ে লাগছে। ওরা ভালো মতোই জানে মোর্শেদ কেবলাজানের পবিত্র অসিয়ত মোতাবেক তাঁর আওলাদ গন একসঙ্গে মিলেমিশে থাকলে, এই দরবারে তাদের আর স্থান নেই। দয়াল কুদরত এ খোদার সরলতাকে পুঁজি করে ওরা যা ইচ্ছা তাই বলে যাচ্ছে, যা ইচ্ছা তাই করে যাচ্ছে !
সেদিন এক আশেকে রাসুল ভাইয়ের সাথে এ ব্যাপারে আলাপ করার সময় তিনি বললেন, দয়াল কুদরত এ খোদা মাত্র ১৫ মিনিট চোখ মোবারক বন্ধ করে রাখুন, এই ১৫ মিনিটের মধ্যে সব শয়তান সাইজ হয়ে যাবে। এ বিষয়টি মাওলানা ফরহাদ সাব ও বোঝেন। দয়াল কুদরত এ খোদা কি বাবে মদিনা দরবার শরীফ ফরহাদ গংদের ইজারা দিছেন নাকি যে, এত বড় বড় কথা বলে। বাবে মদিনা কেন্দ্রীয় দরবার শরীফ কি ফরহাদ সাবের বাপের, না আমি লুৎফুর রহমানের বাপের,না মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদান কারী মহামানব ইমাম প্রফেসর ডক্টর কুদরত এ খোদা (মাঃ আঃ) দয়াল মেজো হুজুরের বাপের? কথাবার্তা হিসাব করে বলা উচিত। টাকা কামাইতে আইছো, কামাইতে থাকো যে কয়দিন নসিবে আছে, বাড়তি কথা বলো কেন? সূূূফী সম্রাট দয়াল বাবাজান তাঁর মোর্শেদের দরবার থেকে চলে আসার পর জাহিরিয়াতে আর কখনো মোর্শেদের রওজামোবারকে জিয়ারতে যাননি, সেই কারণে কি সূফী সম্রাট দয়াল বাবাজানের আর কোন শুভযাত্রার শুভ সূচনা হয়নি? তুমি মনে করছো তোমার সামনের শ্রোতাদের মতো সূফী সম্রাট দয়াল বাবাজানের তিন কোটি আশেকে রাসুলগনের সবাই গরু ছাগল!!! দয়াল মেজো হুজুর এখন দায়িত্ব প্রাপ্ত মহামানব, তাঁকে অসীম ধৈর্যের সাথে সব সমস্যার সমাধান করতে হচ্ছে, তাই বলে তোমরা তাঁকে যা ইচ্ছা তাই বলতে পারো না। সূফী সম্রাট দয়াল বাবাজান ও তাঁর মোর্শেদের রওজামোবারক এবং দয়াল কুদরত এ খোদা (মাঃ আঃ) দয়াল মেজো হুজুর ও তাঁর পিতামাতা বা মোর্শেদের রওজামোবারকের বিষয় এক নয়। তাঁর মোর্শেদের রওজামোবারক থেকে তোমাদের মতো নরপশুদের ঝাড়ুপেটা করে বের করতে তাঁর আমাবস্যা পূর্ণিমা গুনতে হবে না,বুঝতে পারছো তো

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ