অলৌকিক ঘটনা পর্ব - ২হায়দার ভাই চেয়েছিলেন দয়াল বাবাজানের মাধ্যমে তার সমস্যার সমাধান হোক। কিন্তু দয়াল বাবাজান হায়দার ভাইকে দয়াল মেজো হুজুরের সাথে যোগাযোগ করতে বললেন। ততক্ষণে দয়াল মেজো হুজুরের প্রতি হায়দার ভাইয়ের ততটা আস্থা পয়দা হয়নি,যতটা ভরসা পাইতেন দয়াল বাবাজানের প্রতি। যাইহোক যেহেতু দয়াল বাবাজান বলছেন,তাই তিনি দয়াল মেজো হুজুরের সাথে যোগাযোগ করলেন, কিন্তু দয়াল মেজো হুজুরের প্রাথমিক কথা বার্তার হাকিকত বুঝতে না পেরে হায়দার ভাই আরও হতাশ হয়ে পূনরায় দয়াল বাবাজানকে ফোন করেন,দয়াল বাবাজান তারপরও দয়াল মেজো হুজুরের সাথেই যোগাযোগ করতে বললেন। উপায়হীন হয়ে হায়দার ভাই ৫/৬ দিন পর পূণরায় দয়াল মেজো হুজুরকে ফোন দেন। মেজো হুজুর জানতে চান কি হইছে? হায়দার ভাই বলেন, ওরাতো আগের মতোই বলে। আমিতো ১ লক্ষ টাকা মানত করছি। তিনি বলেন, ভালো উকিল ধরে চেষ্টা করেন।
হায়দার ভাই বলেন, তখন আমি মানব অধিকার সংস্থার এক উকিলের কাছে গেলাম এবং আমার কাগজ পত্র দেখালাম। দেখার পর বললো তোর পাস ফুট কোথায়? আমি বাসা থেকে পাস ফুট এনে দেখানোর সাথে সাথে বললো তোর ডকুমেন্টস পাবি পুলিশে মিথ্যা লেখছে। অথচ এর আগে আমি বড় বড় উকিলের কাছে গেছি, পুলিশে নাকি লেখছে আমি চার বছর ইটালিতে থাকি না। পরে আমি এর কাছ থেকে বের হয়ে দয়াল মেজো হুজুরকে ফোন করে ঘটনাটি বলি। তখন তিনি বললেন, মানত আরও বাড়ান। আমি আরও ১ লক্ষ টাকা মানত বাড়িয়ে দুই লক্ষ টাকা মানত করি। তারপর ঐ উকিলে বললো তুই দুই দিন পর আমার কাছে আয়। আমি বিষয়টি দয়াল বাবাজানকে ফোন করে জানাই। দয়াল বাবাজান, বললেন ঠিক আছে, আপনি মেজো হুজুরের সাথে যোগাযোগ রাখেন।
দুই দিন পর আমি আবার ঐ উকিলের কাছে যাই। উকিল বললো আলী আমাকে ১ মাস সময় দে তোর কোন টাকা পয়সা লাগবে না। তুই আগামী সপ্তাহে বৃহস্পতিবার দেখা করবি।আমি ১ সপ্তাহ পর কস্তরায় (থানায়) যাই। আমার উকিল থানার বড় অফিসারের সাথে কথা বলার পর অফিসার বললো আমার পুলিশ ভূল করছে, সে কাগজ পাবে, কিন্তু আমি এখন থানা থেকে দিতে পারবো না। কারণ আমি যদি থানা থেকে কাগজ দিয়ে দেই, আর আলী যদি আমার পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করে, তাহলে আমার ১৭ জন অফিসারের চাকুরী চলে যাবে। তাই সে কোটের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করে আসুক, তখন আমি কাগজ দিয়ে দেবো। তখন আমার উকিল আমাকে বললো সংস্থার বড় উকিল দিয়ে মামলাটি রুজু করতে হবে। এরপর বিষয়টি দয়াল মেজো হুজুর এবং দয়াল বাবাজানকে জানাই। ঐ মূহুর্তে দয়াল মেজো হুজুর ইটালিতে আসছেন। দয়াল মেজো হুজুর সব শুনে বললেন,চেষ্টা করেন পাইবেন। পুলিশ আমাকে দুই মাস অপেক্ষা করতে বললো। যদিও ১ মাস ১৮ দিনের মধ্যে আমার কাগজ তৈরী হয়ে গেছে। তারপরও যদি পুলিশে আপিল করে। শেষ পর্যন্ত পুলিশে আপিল করে নাই, কাগজ পেয়ে গেলাম। মূলত ঐ তারিখে ইটালির আইন অনুযায়ী আমাকে ইটালি ছাড়তে হতো। কিন্তু দয়াল মেজো হুজুর ইটালিতে তরিকার গোলামী করানোর জন্য তাঁর রুহানি ক্ষমতা দ্বারা ঐ দেশে পূণরায় থাকার জন্য ব্যবস্থা করলেন। তিনি আগেই বলেছিলেন, একটু অপেক্ষা করেন কাগজ পাইবেন। আমিতো সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছিলাম ইটালি ছেড়ে চলে আসবো। দয়াল মেজো হুজুর যে এতবড় মহামানব এটা আমার আগে জানা ছিল না। তা ছাড়া দয়াল বাবাজান তাঁর জীবদ্দশায়ই নিজের কাজ দয়াল মেজো হুজুরকে দিয়ে করায়ে তাঁর প্রতিনিধিকে পাকাপোক্ত করে যান। আর এটাই সকল মহামানবদের বেলায় ঘটেছে এবং এটাই ধর্মের বিধান। মহান রাব্বুল আলামিন বিষয় গুলি সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুন !
0 মন্তব্যসমূহ