মানুষের খারাপ ব্যবহার
আমার স্ত্রী ঢাকা সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ এ ইন্টার ২nd ইয়ারে সাইস্ন এ পড়াশোনা করে এখন তার HSC পরীক্ষা চলতেছে ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজ এ। এখন প্রত্যেক দিন তাকে নিয়ে যেতাম পরীক্ষা দিতে আমার স্ত্রী কলেজ এ ঢুকতো আর আমি বাহিরে এক দোকানে বসে থাকতাম আবার কোন দিন কলেজ এর গেইট এর বাহিরে দাড়িয়ে থাকতাম।তার পরীক্ষা ছিলো সকাল ১০ ট থেকে দুপুর ১ টা পূর্যন্ত।কিন্তু তার পরীক্ষা শেষ এখন শুধু প্রাক্টিকাল পরীক্ষা গুলো আছে।আর মহানগর প্রাক্টিকাল পরীক্ষার নুটিস দিছে সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১ টা পূর্যন্ত আবার দুপুর ১ টা থেকে বিকাল ৫ টা পূর্যন্ত।এখন আমাকে এত সময় ধরে অপেক্ষা করতে হবে।তাই দোকানে যে কোনো দোকানে কিন্তু কিছু না খেলে বসতে ও দেয় না আবার কিছু খেয়ে বসলে ও বেশি সময় বসতে দেয় না।আর গেইট এর সামনে কত সময় দাড়িয়ে থেকে পারা যায়। তাই কলেজ এর ভিকর ঢুকে যেখানে ছাত্র-ছাত্রী দের অভিভাবক দের বসার স্থান সেখানে গিয়ে আমি বসলাম ওখানে ছিলো ২ টা ঢাকা মহানগর কলেজ এর দপ্তারি আমি গিয়ে ভদ্র ভাবে বসার জায়গায় গিয়ে বসছি এখন একটা দপ্তরি আমাকে বললো তুমি এখানে কী জন্য আচ্ছো.? আমিও বলি আমার স্ত্রী পরীক্ষা দিচ্ছে তখন বললো বাহিরে যাও এখানে বসা যাবে না।
আমি কিছু না বলে চুপ করে বসে আছি।কিছুক্ষণ পরে তিনি আবার বললো একটু বেশি আওয়াজ দিয়ে।আমার পাশে কিন্ত আরো অনেক নামি দামি অভিভাবক আছে কিন্তু তাদের কিচ্ছু বলছে না কারণ কী.??বাঙালি মানুষ টাকা ছাড়া কিছু চোখে দেখে না বুঝি।তারপর আমি বসে আছি বেশ কিছুক্ষণ পরে আমাকে আবার বললো যে বাহিরে যাও বাহিরে গিয়ে দাড়াও। আর হ্যাঁ আপনাদের তো সেটা বলতে ভুলে গেছি তখন অনেক বৃষ্টি হচ্ছিলো তাই কলেজ এর ভিতরে গিয়ে দাড়িয়েছিলাম।।এখন দপ্তরি টা কই কথা বলার পরে আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম আংকেল আমার অপরাধ কী আর আমি তো একজন অভিভাবক আর আমি তো কোন কিছু করতেছি না তাহলে আমাকে বাহিরে যাওয়ার কারণ কী আর তা বাদেও বাহিরে ও তো বৃষ্টি হচ্ছে।তখন সেই লোকটা বললো যে এটা তোমাদের মত অভিভাবক দের জায়গায় না। আমি বললাম তাহলে কোন অভিভাবক দের জায়গ বললো তোমার পাশে দেখতে পারছো না টাকা ওয়ালা প্রভাবশালী অভিভাবক। বাহ বাহ বাংলাদেশের অশভ্য মানুষ। এটাই কী আমাদের শিক্ষা।


0 মন্তব্যসমূহ