ইমাম কাকে বলে? ইমাম কত প্রকার এবং আল্লাহ ও রাসুল (সঃ) এর সন্তষ্টি অর্জনের জন্য কোন্ ধরনের ইমামকে অনুসরণ করতে হবে?
ইমাম আরবি শব্দ। এর বাংলা অর্থ নেতা। ভাষাগত দিক দিয়ে এবং প্রকারভেদে বহু প্রকার ইমাম আছে। যেমনঃ- মাজহাবের ইমাম, তরিকার ইমাম, মসজিদের ইমাম, হাদীস প্রণেতা ইমাম, কোন কোন দেশে ধর্মীয় নেতাকে ইমাম বলা হয়, যেমন ইরান, প্রত্যেক দেশে রাজনৈতিক দলের প্রধানকে নেতা বলা হয়,যাকে আরবিতে ইমাম বলে। নবুয়তের যুগে সকল নবী-রাসুলগন ইমাম ছিলেন। তাঁদের যিনি প্রধান ছিলেন,তাঁকে সাইয়্যিদুল আম্বিয়া, সাইয়্যিদুল মোরসালিন বা ইমামুল মোরসালিন বলা হয়। পক্ষান্তরে নবুয়তের যুগে সকল নবী-রাসুলগনে বিরোধিতাকারী কাফেরদের নেতৃত্ব প্রদান কারীদেরকেও ইমাম বলা হয়। রাসুল (সঃ) এর সঙ্গে থেকে যারা মোনাফেকি করেছিল, তাদের প্রধানকেও ইমাম বলা হয়। বেলায়েতের যুগে খুঁজলে প্রায় শতাধিক তরিকার সন্ধান পাওয়া যাবে, সে সব তরিকার প্রবর্তকদেরকে তরিকার ইমাম বলা হয়। সকল তরিকার ইমামদের ইমামকে ইমাম মাহ্দী (আঃ) বলা হয়। বেলায়েতের যুগে অলীআল্লাহ গনের বিরোধী চক্রের নেতৃত্ব প্রদান কারীদেরকেও ইমাম বলা হয়। ইবলিশ শয়তান মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে ক্ষমতা চেয়েছিল,সে যেন আদম সন্তানদেরকে কু-পরামর্শ দিয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করতে পারে। মহান রাব্বুল আলামিন তাকে সে ক্ষমতা দিয়েছেন, তাই ইবলিশ শয়তান অসীম ক্ষমতার অধিকারী হয়ে তার বিশাল বাহিনীর দ্বারা রুহানি জগতে ও জাহিরী জগতে সুন্দর ভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। ইবলিশ তার বিশাল বাহিনীকে বিভিন্ন সেক্টরে বিভক্ত করে এলাকা ভিত্তিক দায়িত্ব বুঝে দিয়েছে। সে সকল সেক্টর কমান্ডারদেরকেও ইমাম বলা হয়। তার পক্ষ থেকে নিয়োজিত একটি ক্ষুদ্র দল সূফী সম্রাট দয়াল বাবাজানের ওফাত লাভের সুযোগ নিয়ে কখনো প্রকাশ্যে আবার কখনো অপ্রকাশ্যে অতি সুচারু ভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। সেই কারণে বর্তমানে খাটি আশেকে রাসুল ভাই ও বোনদেরকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। সর্বশেষ মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদান কারী মহামানব ইমাম প্রফেসর ডক্টর কুদরত এ খোদা (মাঃ আঃ) হুজুরের বিরোধী চক্রের মদদদাতা কারীদেরকেও ইমাম বলা হয়। সে সকল ইমামদেরকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য তাঁদের বেতন ভুক্ত কর্মচারীগন সূফী সম্রাট দয়াল বাবাজানের মহামূল্যবান বাণী মোবারক ভূলে গিয়ে দয়াল কুদরত এ খোদাকে খাটো করার কাজে নিয়োজিত আছে। সূফী সম্রাট দয়াল বাবাজানের সেই মহামূল্যবান বাণী মোবারক ছিল এই রকম
আপনারা আপনাদের মোর্শেদকে বড় করতে গিয়ে কাউকে খাটো করতে জায়েন না। তিনি খাতার উপর পাশাপাশি দুটি দাগ দিয়ে বুঝাতেন, আপনার দাগটি যদি বড় করতে চান, তাহলে পাশের দাগটির কিছু অংশ মুছে খাটো করতে না গিয়ে বরং আপনার দাগটি লম্বা করলেই আপনারটি বড় হয়ে যাবে এবং পাশের দাগটি অটোমেটিক খাটো হয়ে যাবে। অযথা ভেজাল করে লাভ কি? এখন দয়াল কুদরত এ খোদার কুদরত লেখে প্রকাশ করাতে দয়াল কুদরত চাঁনের দাগ বড় হয়ে যাচ্ছে আর বাকীদের দাগ অটোমেটিক খাটো হয়ে যাচ্ছে। ঐ সকল ইমামগনের বেতনভুক্ত কর্মচারীগন উপায়হীন হয়ে এখন উল্টা আমাকে গালিগালাজ করে আর বলে আমি নাকি টাকা খেয়ে এ গুলি লেখি। ফাজলামি কথাবার্তা বলার আর জায়গা পাওনা। তোমাদের এডমিনরা যদি কখনো সঠিক বুঝ বুঝতে পারে, সেদিন দয়াল কুদরত এ খোদা তোমাদের পেটের উপর পারা দিয়ে বেতনের সব টাকা গুলি বের করে তাঁর ভাইদের হাতে বুঝে দিবেন। মনে করছো দয়াল কুদরত এ খোদা কিছু বোঝেও না, আর কিছু দেখেও না।
এখন প্রশ্ন হলো আশেকে রাসূলগন কোন্ ইমামের অনুসরণ করবে?
এর জবাব হলো আমি যত প্রকার ইমামের কথা উল্লেখ করেছি তার মধ্যে একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত বা মনোনীত ইমাম ছাড়া অন্য ইমামদের অনুসরণ করতে গিয়ে আশেকে রাসুলগনকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এমন কোন সমস্যা নেই যার সমাধান আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত বা মনোনীত ইমাম দিতে পারে না !
দ্বিতীয় প্রশ্ন হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত বা মনোনীত ইমামকে চেনার উপায় কি?
এর জবাব হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত বা মনোনীত ইমামগন আল্লাহর গুনে গুণান্বিত, যার কারণে তাঁদের মাধ্যমে অলৌকিক ঘটনা ঘটে থাকে। যে ঘটনা গুলিকে নবুয়তের যুগে মোজেজা এবং বেলায়েতের যুগে কারামত বলা হয় নবুয়তের যুগে হাজারো বিরোধিতা স্বত্বেও বিশ্বাসীগন নবী-রাসুলগনের মোজেজা দেখে তাঁদের সহবত লাভ করে ধন্য হয়েছে, ঠিক তেমনি ভাবে বেলায়েতের যুগে হাজারো বিরোধিতা স্বত্বেও বিশ্বাসীগন অলীআল্লাহ গনের কারামত দেখে তাঁদের সহবত লাভ করে ধন্য হয়েছে যেমনঃ- হাজারো বিরোধিতা স্বত্বেও হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ বিশ্বাসীগন ইমাম শাহ্ চন্দ্রপুরী (রহঃ)'র সহবত লাভ করে ধন্য হয়েছে হাজারো বিরোধিতা স্বত্বেও লক্ষ কোটি বিশ্বাসীগন সূফী সম্রাট হজরত মাহবুব এ খোদা দেওয়ানবাগী (রহঃ)'র সহবত লাভ করে তারা-ও ধন্য হয়েছে বর্তমানে হাজারো বিরোধিতা ও ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে লক্ষ কোটি আশেকে রাসুল জাকের ভাই ও বোনেরা মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদান কারী মহামানব ইমাম প্রফেসর ডক্টর কুদরত এ খোদা (মাঃ আঃ) হুজুরের কদম মোবারকে যেমন আশ্রয় গ্রহণ করেছেন, ঠিক তেমনি ভাবে প্রতিনিয়ত দলে দলে নতুন লোকজন তরিকা গ্রহণ করে এ মহামানবের কদম মোবারকে আশ্রয় নিচ্ছে এই দৃশ্য দেখে যে সকল ইমামগন আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত বা মনোনীত নন,তাঁদের এবং তাঁদের অনুসারীদের গাত্রদাহ শুরু হয়ে গেছে। বিষয় গুলি মহান রাব্বুল আলামিন সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুন। আমিন


0 মন্তব্যসমূহ